বাউল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাউল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আমি তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো ।।



অতীতের কথা গুলো
পুরনো স্মৃতি গুলো
মনে মনে রাইখো
আমি তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো ।।

তুমি আমার স্বপ্ন আশা তুমি ভালবাসা
তোমারে না পাইলে এই জীবন বৃথা (বন্ধু)
অন্তরে না রাখলেও মুখে মুখে রাইখো
আমি তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো ।।

পথে আমি পড়ে ছিলাম বুকে টেনে নিলে
বুকে টেনে নিয়ে কেনো এতো ব্যাথা দিলে (বন্ধু)
জিন্দা থাকতে না ডাকিলে ও মইরা গেলে ডাইকো
আমি তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো ।।

মাহবুব ভেবে বলে মায়ের কোলেই ভালা
মায়ের কোল ছেড়ে দেখি সংসারেতে জ্বালা (দয়াল)
দুনিয়ার সবাই ভালা তাগোই বুকে রাইখো
আমি তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো ।।

amito vala na, vala loiyai thaiko


বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৬

DJ Rahat Feat. Dilruba Khan - Bhromor (official video)







শিল্পীঃ দিলরুবা খান
সুরকারঃ রাধারমণ দত্ত পুরোকায়েস্ত
গীতিকারঃ রাধারমণ দত্ত পুরোকায়েস্ত


ভ্রমর কইও গিয়া
শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে
ভ্রমর কইও গিয়া
ভ্রুমর রে …
কইও কইও কইওরে ভ্রমর
কৃষ্ণরে বুঝাইয়া
মুই রাধা মইরা যাইমু
কৃষ্ণহারা হইয়া রে
ভ্রমর কইও গিয়া
ভ্রমর কইও গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে ভ্রমর কইও গিয়া
ভ্রুমর রে …
আগে যদি জানতাম রে ভ্রমর যাইবা রে ছাড়িয়া
মাথার কেশ দুই ভাগ করে রাখিতাম বান্ধিয়া রে
ভ্রমর কইও গিয়া
ভ্রমর কইও গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে ভ্রমর কইও গিয়া
ভ্রুমর রে …
ভাইবে রাধা রমন বলে শোন রে কালিয়া
নিভা ছিল মনের আগুন
কে দিলা জ্বালাইয়া
ভ্রমর কইও গিয়া
ভ্রমর কইও গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে ভ্রমর কইও গিয়া

রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০১৬

মন আমার দেড় ঘড়ি

শিল্পীঃ আবদুর রহমান বয়াতি
সুরকারঃ আবদুর রহমান বয়াতি
গীতিকারঃ আবদুর রহমান বয়াতি

একটি চাবি মাইরা দিলা ছাইড়া
জনম ভরি চলিতেছে।
মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি
কোন মিস্ত্ররী বানাইয়াছে।
থাকের একটা কেস বানাইয়া মেশিন দিলো তার ভিতর
ওরে রং বেরংয়ের বার্নিশ করা দেখতে ঘড়ি কি সুন্দর।
ঘড়ির তিন পাটে তে গড়ন সারা
এই বয়লারের মেশিনের গড়া।
তিনশ ষাটটি ইশকুররম মারা ষোলজন পাহারা আছে।
ঘড়ি হেয়ার স্প্রিং ফ্যাপসা কেচিং লিভার হইলো কলিজায়
আর ছয়টি বলে
আজব কলে দিবানিশি প্রেম খেলায়।
ঘড়ি তিন কাটা বার জুয়েলে মিনিট কাটা হইলো দিলে
ঘন্টার কাটা হয় আক্কেলে
মনটারে সেকেন্ডে দিসে।
ঘড়ির কেসটা বত্রিশ চাকের, কলে কব্জা বেসুমার
দুইশো ছয়টা হাড়ের জোড়া, বাহাত্তর হাজারও তার।
ও মন, দেহঘড়ি চৌদ্দতলা, তার ভিতরে দশটি নালা,
একটা বন্ধ নয়টা খোলা গোপনে এক তালা আছে।
ঘড়ি দেখতে যদি হয় বাসনা
চলে যান ঘড়ির কাছে,
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে ঘড়ির ভিতর লুকাইছে,
ঘড়ির ভিতর লুকাইছে।
পর্দারও সত্তর হাজারে
তার ভিতলে লড়ে চড়ে
জ্ঞান নয়ন ফুটলে পরে দেখতে পারবেন চোখের কাছে।
ওস্তাদ আলাউদ্দিনে ভেবে বলছেন,
ওরে আমার মনবোকা,
বাউল রহমান মিয়ার কর্মদোষে হইল না ঘড়ির দেখা।
আমি যদি ঘড়ি চিনতে পারতাম,
ঘড়ির জুয়েল বদলাইতাম,
ঘড়ির জুয়েল বদলাইবো
কেমন যাই মিস্ত্ররীর কাছে?
মন আমার দেহঘড়ি
সন্ধান করি, কোন মিস্ত্রী বানাইছে।
মন আমার দেহঘড়ি
একটি চাবি মাইরা দিলা ছাইড়া
জনম ভরি চলিতেছে।
মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি
কোন মিস্ত্ররী বানাইয়াছে।