শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০২২

সাদা কালা কালা

Lyrics and Composition :Hashim Mahmud
Music : Emon Chowdhury
Vocal Arfan Mredha Shiblu 

 

তুমি বন্ধু কালা পাখি
আমি যেন কি ?
বসন্ত কালে তোমায়
বলতে পারিনি।

সাদা সাদা কালা কালা
রং জমেছে সাদা কালা,
সাদা সাদা কালা কালা
রং জমেছে সাদা কালা,
 

হইছি আমি মন পাগলা
বসন্ত কালে ..তুমি বন্ধু কালা পাখি
আমি যেন কি ?
বসন্ত কালে তোমায়
বলতে পারিনি,
বসন্ত কালে তোমায়
বলতে পারিনি।।

পিরিত ভালা গলার মালা
বল্লে কি আর হয়,
যারে ভালো লাগে আমার
দেখলে তারে চোখে নেশা হয় রে বন্ধু
চোখে নেশা হয়।

সাদা সাদা কালা কালা
রঙ জমেছে সাদা কালা,
সাদা সাদা কালা কালা
রঙ জমেছে সাদা কালা,
 

হইছি আমি মন পাগলা
বসন্ত কালে ..
তুমি বন্ধু কালা পাখি
আমি যেন কি ?
বসন্ত কালে তোমায়
বলতে পারিনি,
বসন্ত কালে তোমায়
বলতে পারিনি .. 

Shada Shada Kala Kala

Tumi bondhu kala pakhi

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২

আমি মানে তুমি


Tasrif Khan from Kureghor Band

আমার কাছে তুমি মানে সাত রাজার ধন
আমার কাছে তুমি মানে অন্যরকম
তোমার কাছে হয়ত বন্ধু আমি কিছু না
তাইতো তোমার স্বপ্নে বন্ধু আমি আসি না

আমি মানে তুমি আর তুমি মানে আমি
আমার কাছে আমার চেয়ে বন্ধু তুমি দামি
আমি মানে তুমি আর তুমি মানে আমি
আমার কাছে আমার চেয়ে বন্ধু তুমি দামি

আমার মনে বন্ধু তুমি আমার সব কিছু
তাই পাগলের মত ছুটি তোমার পিছু
তোমার কাছে হয়তো বন্ধু আমি ভালো না
তাইতো তোমার মনের ভেলায় আমি ভাসি না
আমার মনে বন্ধু তুমি আমার সব কিছু
তাই পাগলের মত ছুটি তোমার পিছু
তোমার কাছে হয়তো বন্ধু আমি ভালো না
তাইতো তোমার মনের ভেলায় আমি ভাসি না

আমি মানে তুমি আর তুমি মানে আমি
আমার কাছে আমার চেয়ে বন্ধু তুমি দামি
আমি মানে তুমি আর তুমি মানে আমি
আমার কাছে আমার চেয়ে বন্ধু তুমি দামি

আমার চোখে বন্ধু তুমি রাতের ধ্রুবতারা
তোমায় আমি রাত জাগিয়া দেই যে পাহারা
তোমার মনে হয়তো পাগল ছাড়া কিছু না
তাইতো হাসো দেখে আমায় ওরে ললনা
আমার চোখে বন্ধু তুমি রাতের ধ্রুবতারা
তোমায় আমি রাত জাগিয়া দেই যে পাহারা
তোমার মনে হয়তো পাগল ছাড়া কিছু না
তাইতো হাসো দেখে আমায় ওরে ললনা

আমার কাছে তুমি মানে সাত রাজার ধন
আমার কাছে তুমি মানে অন্যরকম
তোমার কাছে হয়ত বন্ধু আমি কিছু না
তাইতো তোমার স্বপ্নে বন্ধু আমি আসি না

আমি মানে তুমি আর তুমি মানে আমি
আমার কাছে আমার চেয়ে বন্ধু তুমি দামি
আমি মানে তুমি আর তুমি মানে আমি
আমার কাছে আমার চেয়ে বন্ধু তুমি দামি
আমি মানে তুমি আর তুমি মানে আমি
আমার কাছে আমার চেয়ে বন্ধু তুমি দামি

আমার কাছে আমার চেয়ে বন্ধু তুমি দামি

 tumi mane ami 

amar kache tumi mane

বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০২২

তোমার সাথে প্রেম করিয়া

জাতি কূল মান সবই গেলো
জাতি কূল মান সবই গেলো
এখন শুধু বাকি প্রান
তোমার সাথে প্রেম করিয়া
হইলাম কতই অপমান
তোমার সাথে প্রেম করিয়া
হইলাম কতই অপমান

আমি তোমায় ভালবাসি
জগতে হইয়াছি দোষী
আমি তোমায় ভালবাসি
জগতে হইয়াছি দোষী
না পাইয়া তবু খুশি
না পাইয়া তবু খুশি
তোমার ছবি রাখলাম অন্তরায়
তোমার সাথে প্রেম করিয়া
হইলাম কতই অপমান
তোমার সাথে প্রেম করিয়া
হইলাম কতই অপমান


মিষ্টি মধুর কথা কইয়া
আমার সাথে প্রেম করিলা
 

মিষ্টি মধুর কথা কইয়া
আমার সাথে প্রেম করিলা
এখন কেন যাও ভুলিয়া
এখন কেন যাও ভুলিয়া
একি প্রেমের খেলার প্রতিদান
তোমার সাথে প্রেম করিয়া
হইলাম কতই অপমান
তোমার সাথে প্রেম করিয়া
হইলাম কতই অপমান


জাতি কূল মান সবই গেলো

জাতি কূল মান সবই গেলো
এখন শুধু বাকি প্রান
তোমার সাথে প্রেম করিয়া
হইলাম কতই অপমান
তোমার সাথে প্রেম করিয়া
হইলাম কতই অপমান
তোমার সাথে প্রেম করিয়া

হইলাম কতই অপমান
তোমার সাথে প্রেম করিয়া
হইলাম কতই অপমান

tomar sathe prem koriya

রবিবার, ৬ মার্চ, ২০২২

ঠকানো প্রশ্ন

 সুকুমার রায়

গণেশ দাদা বললেন, ‘একটা গরুর গলায় দশ হাত লম্বা মোটা দড়ি বাঁধা। সেখান থেকে ২৫ হাত দূরে এক আঁটি ঘাস আছে। কেউ ঘাস এগিয়ে দিল না, দড়ি ছিঁড়তে হলো না, অথচ গরু অনায়াসে সেই ঘাস খেয়ে ফেলল। বল তো, এটা কী করে সম্ভব হয়?’

দামু বলল, ‘বুঝেছি। খুব হাওয়া হলো আর ঘাস উড়ে এসে পড়ল।’

গণেশদা বললেন, ‘তাহলেই তো এগিয়ে দেওয়া হলো।’

গদাই অনেক ভেবে বলল, ‘এ রকম হতেই পারে না।’

গণেশদা বললেন, ‘কেন হবে না? গরুর গলায় দড়ি বাঁধা বলেছি, দড়িটা যে খোঁটায় বাঁধা তা তো আর বলিনি—দড়িটা আলগাই ছিল।’

তা শুনে সকলে বলল, ‘এটা নেহাৎ ফাঁকি হলো।’

 

তখন মতিলাল বলল, ‘দুটো গাধা ছিল—তাদের ভয়ানক জেদ। খাওয়াবার সময় একটা পশ্চিমমুখো আরেকটা পুবমুখো হয়ে দাঁড়িয়ে রইল—ঠেললে সরবে না, মারলে নড়বে না। এখন একটা বালতিতে করে দুটোকে একসঙ্গে খড় খাওয়াতে হবে। কী করা যায়? করা যা হলো তা কিছুই কঠিন নয়, অথচ গাধা দুটো যেমন উল্টো দিকে মুখ করে ছিল ঠিক তেমনিই রইল।’

দামু বলল, ‘ওটা আমি জানি।’

আর সবাই বলল, ‘জানিস তো চুপ করে থাক না। আমাদের ভাবতে দে।’

তারা ভাবছে, সেই সঙ্গে তোমরাও একটু ভেবে নাও।

যাহোক, এটাতে সকলকে ঠকানো গেল না। তখন বিপিন বলল, ‘আমি একটা কৌশলের ধাঁধা জানি। এক সুলতান আট হাত লম্বা, আট হাত চওড়া একখানা শতরঞ্জি বিছিয়ে, তার ওপর ঠিক মধ্যখানে একটা হীরের কৌটা রেখে বললেন, ‘ওই শতরঞ্জি না মাড়িয়ে কিংবা তার ওপরে হাত, পা বা শরীরের কোনো রকম ভর না দিয়ে, আর লাঠি, দড়ি বা কোনো যন্ত্রের বা অন্য লোকের সাহায্য না নিয়ে, যে পারো, সে কৌটাটি নাও।’

 

কত ওস্তাদ বীর এসে কত রকম কসরত করে নেবার চেষ্টা করল, কত ঢ্যাঙা ঢ্যাঙা লোক এসে কত রকম কায়দা করে, ঝুঁকে পড়ে, সেটাকে তুলবার চেষ্টা করল, কিন্তু কেউ পারল না। শেষটায় একটা বেঁটে, রোগা লোক এসে চটপট অতি সহজে কৌটাটাকে উঠিয়ে নিয়ে সকলকে বোকা বানিয়ে দিল। বল তো কী রকম করে হলো?’

গোপাল মামা এতক্ষণ চুপ করে শুনছিলেন। তিনি হঠাৎ বলে উঠলেন, ‘ভারি তো বললি! এই যে শরবতের গেলাস দেখছিস, এটাকে ধামাচাপা দিয়ে রাখ; আমি ধামায় হাত দেব না, তুলব না, অথচ শরবত খেয়ে ফেলব।’

তখন সকলে ছুটোছুটি করে একটা ধামা এনে গেলাসটাকে চাপা দিয়ে তামাশা দেখতে বসল। মামা তখন মাথায় চাদর ঢেকে ধামার কাছে বসে খানিকক্ষণ ঢকঢক শব্দ করে বললেন, ‘বাস! শরবতের দফা শেষ।’

সবাই বলল, ‘কই দেখি।’ বলে যে–ই তারা ধামা তুলেছে, অমনি মামা খপ করে গেলাস নিয়ে চোঁ চোঁ করে শরবত খেয়ে বললেন, ‘কেমন! ধামা ধরলাম না, ছুঁলাম না, শরবত খেয়ে ফেললাম! হলো তো?’

 


 

 

ঠকানো প্রশ্নের উত্তর

গাধা দুইটি মুখোমুখিই দাঁড়াইয়া ছিল। তাহলে একটার মুখ পূর্ব দিকে থাকিলে আর একটার মুখ তাহার উল্টা, অর্থাৎ পশ্চিম দিকে থাকিবে। এখন দুই জনের মাঝখানে মুখের নিচে খাবারের বালতি বসাইলেই দুইজনে এক সঙ্গে খাইতে পারে।

শতরঞ্জির উপর হইতে কৌটা সরাইবার কৌশলটিও খুব সহজ। শতরঞ্জির উপর ভর না দিয়া তাহার উপর হাত-পা না রাখিয়া তাহাকে গুটাইয়া ফেলা যায়; আর একদিকে খানিকটা গুটাইলেই কৌটাটি উঠাইয়া লওয়া সহজ হয়।

 



 

 

 

মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

মেয়েদের পদবী

কবি- সুকান্ত ভট্টাচার্য

মেয়েদের পদবীতে গোলমাল ভারী,
অনেকের নামে তাই দেখি বাড়াবাড়ি ;
‘আ’কার অন্ত দিয়ে মহিলা করার
চেষ্টা হাসির। তাই ভূমিকা ছড়ার।
‘গুপ্ত’ ‘গুপ্তা’ হয় মেয়েদের নামে,
দেখেছি অনেক চিঠি পোস্টকার্ড, খামে।
সে নিয়মে যদি আজ ‘ঘোষ’ হয় ‘ঘোষা’,
তা হলে অনেক মেয়ে করবেই গোসা,
‘পালিত’ ‘পালিতা’ হলে ‘পাল’ হবে ‘পালা’
নির্ঘাৎ বাড়বেই মেয়েদের জ্বালা ;
‘মল্লিক’ ‘মল্লিকা’ , ‘দাস’ হলে ‘দাসা’
শোনাবে পদবীগুলো অতিশয় খাসা ;
‘কর’ যদি ‘করা’ হয় ‘ধর’ হয় ‘ধরা’,
মেয়েরা দেখবে এই পৃথিবীটা – “সরা”।
‘নাগ’ যদি ‘নাগা’ হয় ‘সেন’ হয় ‘সেনা’,
বড়োই কঠিন হবে মেয়েদের চেনা।।