বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০

লোকাল বাস

শিল্পী : প্রিতম হাসান

গীতিকার : প্রিতম হাসান

সুরকার : গোলাম রব্বানী

 

নিজের ভাল বুঝিস রে তুই
পথে পথে ঘুরিস রে তুই
আমানতের খেয়ামত কইরা করস রে সর্বনাশ

আমি কান্দি তোর দুঃখে
তুই ঘুরস মনের সুখে
কার দিকে নজর দিয়া আমারে হাই কোর্ট দেখাস

দেই কাঠের চশমা চোখে
দেখি শইষ্য এখন শোকে
শুধু ডানে বামে ঘুইরা ঘুইরা হইছে ফাঁপর বাজ

বন্ধু তুই লোকাল বাস
বন্ধু তুই লোকাল বাস
আদর কইরা ঘরে তুলস
ঘাড় ধইরা নামাস (3x)

* র‍্যাপ বাই শাফাইয়াত

ক তুই কই যাবি, গাড়ী তোর আমার চাবী
মিটাইয়া মনের দাবী পরে কইচ হাবি যাবি
জেম্নে চাচ অম্নে পাবি কবি আমি কারিগর
খাবার দাবার শেষ বাড়ি ঘর খালি কর
জোর কত জানি তোর সবাই তো স্বার্থপর
মনে তে রং লাগাইয়া হইয়া ঘুরস যাযাবর

স্বার্থের পটি বাইন্ধা কানামাছি ভোঁ ভোঁ
পাগলেও বোঝে এখন টাকা পয়সার লোভ ও
পাঙ্খা ভাবে থাকি আগুনের গোলা বইলা
আইসা তুই খাবি খাবি মনে মনে মনা কোলা
চোরের মার বড় গলা লইয়া লবি যারে তারে
শারাফাতি ড্রাইভার এ, নরম পাইয়া বেরেক মারে
মুনাফা ছাড়া পরে না মাটিতে পারা
রক্ত চুইশা খাইয়া উপড়ে উঠছে যারা ওগো
দুনিয়ার ভোগে আছে দুনিয়ার শাস্তি
উস্তাদ বুইঝা হুইনা ডানে বামে প্লাস্টিক

ও তুই মনের কথা বুঝলি না
আমারেও গুনলি না
জনে জনে একই প্রেম তুই কতবার বিলাশ

ওহ তুই দেখলি শুধু ফাইদা রে
আমারেও গুনলি না
দেখলি না সেই আদরে
ষোল আনা বুইঝা রে তুই অন্য দিকে চাস

দিল জ্বালা বাড়ায় বুকের দেখি না চেহারা সুখের
সে তো অলি গলি ধরা খাইয়া হইছে পাঙ্গা বাজ

বন্ধু তুই লোকাল বাস বন্ধু তুই লোকাল বাস
আদর কইরা ঘরে তুলস ঘাড় ধইরা নামাস (x4)
তুই লোকাল বাস বন্ধু তুই লোকাল বাস
আদর কইরা ঘরে তুলস ঘাড় ধইরা নামা

local bus

সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

আজ ১৪ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের একের পর এক হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর আলবদর রাজাকাররা। শিক্ষক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, সাংবাদিক বেছে বেছে জাতির মেধাবী সন্তানদের হত্যা করে বর্বর কায়দায়। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের তখন চূড়ান্ত পর্যায়। তখনই ১০ থেকে ১৪ই ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিকল্পিতভাবে তালিকা ধরে বুদ্ধিজীবী হত্যার ঘৃণ্যতম অপকর্মটি করে ঘাতক চক্র।


তাদের উদ্দেশ্য ছিল বিজয়ী বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দেয়া যাতে ভবিষ্যতে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। এ সময় সান্ধ্য আইনের মধ্যে রাতের আঁধারে তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের বাসা থেকে অপহরণ করে চোখ বেঁধে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নিয়ে গুলি করে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

১৪ই ডিসেম্বর চারদিকে যখন পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের রব, ঠিক তখনই পাকিস্তানি ঘাতকরা মুনীর চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, সন্তোষ ভট্টাচার্য, শহীদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুদ্দিন হোসেন, আবুল খায়ের, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, মনিরুজ্জামান, আনোয়ার পাশা, নিজাম উদ্দিন আহমেদ, রশিদুল হাসান, সিরাজুল হক খান, ডা. আলীম উদ্দিন, ডা. ফজলে রাব্বি, নাজমুল হক, খন্দকার আবু তালেব, ডা. আমির উদ্দিন, সাইদুল হাসান প্রমুখ বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। এ ছাড়া অনেক বুদ্ধিজীবীকে তুলে নিয়ে যায়। যাদের আজ পর্যন্ত কোনো খোঁজ মেলেনি।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সকল শহীদদের প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা 

মুক্তির মন্দির সোপান তলে
কত প্রাণ হলো বলিদান, লেখা আছে অশ্রুজলে৷
 

 

 

বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০

আমার কোন জায়গা নাইরে

পুতুল

 আমার কোন জায়গা নাইরে
কোন জায়গা নাই ও বন্ধু
আমায় দিও ঠাই ।।
তোমার মনের কুসুম কুসুম নিরজণতায়
আমায় দিও ঠাই রে বন্ধু আমায় দিও ঠাই ।
আমার কোন জায়গা নাইরে
কোন জায়গা নাই ও বন্ধু
আমায় দিও ঠাই ।

আমি বাউল হতে চাই রে বন্ধু বাউল হতে চাই
তোমার মনের মেঠো পথে দূরের কোন গাঁয়।
তোমার বাঁশীর সুরে সবই ভুলে যেতে চাই ।
আমায় দিও ঠাই রে বন্ধু আমায় দিও ঠাই।
আমার কোন জায়গা নাইরে কোন জায়গা নাই ও বন্ধু
আমায় দিও ঠাই ।।

আমি জিরিয়ে নিতে চাই রে একটু জিরিয়ে নিতে চাই
তোমার মনের বট বৃক্ষের শীতল ছায়ায় ।
তোমার চেনা সুরে সুরে উদাস হতে চাই।
আমায় দিও ঠাই রে বন্ধু আমায় দিও ঠাই
আমার কোন জায়গা নাইরে কোন জায়গা নাই ও বন্ধু
আমায় দিও ঠাই ।

তোমার মনের কুসুম কুসুম নিরজণতায়
আমায় দিও ঠাই রে বন্ধু আমায় দিও ঠাই ।
আমার কোন জায়গা নাইরে কোন জায়গা নাই ও বন্ধু
আমায় দিও ঠাই ।

amar kono jaiga naire