বুধবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৭

কিছু ভুল ছিল তোমার

শিল্পীঃ জেমস
অ্যালবামঃ দাগ থেকে যায়

কিছু ভুল ছিল তোমার, কিছু আমার
তুমি করোনি স্বীকার বন্ধু, আমি করেছি
একসাথে চলতে, কথা বলতে
কত ভুল বোঝাবুঝি হয় স্বাভাবিক, তুমি বোঝনি।
যদি স্বীকার করতে বন্ধু, তুমি হতেই জয়ী
আমি পরাজয় মেনে নিয়ে ভাবতাম, তুমি জয়ী।
যদি স্বীকার করতে বন্ধু, তুমি হতেই জয়ী
আমি পরাজয় মেনে নিয়ে ভাবতাম, তুমি জয়ী।
এই ছন্নছাড়া অগোছালো জীবনে
কেন এসেছিলে সব সাজাতে, হায় কে জানে,
সব গড়েছ তুমি, আবার ভেঙ্গেছ নিজেই
রেখে গেছ বিস্মৃতির অবগাহনে
যদি স্বীকার করতে বন্ধু, তুমি হতেই জয়ী
আমি পরাজয় মেনে নিয়ে ভাবতাম, তুমি জয়ী।
যদি স্বীকার করতে বন্ধু, তুমি হতেই জয়ী
আমি পরাজয় মেনে নিয়ে ভাবতাম, তুমি জয়ী।

kisu vul chilo tomar
 

ও দ্যাশে মোবাইল এসেছে

ভবের বাড়ি

কথা ও সুর ঃ কিশোর পলাশ

আমার জীবন হইল ভবের বাড়ি
দুঃখ নামের দিলা গাড়ি
জংসনে জংসনে গাড়ি থেমে থেমে যায়
যার আছে যত বেশী
তারে দাও তত খুশি
অপার হয়ে বসে আছি
শূন্যেরি খেলায় ।
ও বিধি তোমার কি দয়া মায়া নাই ।।
সুখেরই আশা যত
দিয়ে গেছে ফাঁকি
তুমি দয়াল শেষ ভরসা
কি আর আছে বাকি
দুঃখের অনলে পুড়ে ষোল আনাই ছাই ।
কত রঙ্গের মানুষ ভবে
কত রঙ্গের পাখি
আমারে নিঃস্ব কইরা
দুঃখ দিলা সাথী
তবু আমি পথ চলিলাম তোমারি আশায় ।

একাকী মন আজ নীরবে


শিল্পীঃ বালাম
অ্যালবামঃ বালাম-২

একাকী মন আজ নীরবে
বিবাগী তোমার অনুভবে
ফেরারী প্রেম খোঁজে ঠিকানা
আকাশে মেঘ মানে বোঝো কিনা
বিরহ নীলে নীলে বাঁধে বাসা
অজানা ব্যথায়
অধরা তারাগুলো কাঁদে বেদনায়
খেয়ালী তুমি কোথায়
দিনের আলোর শেষে
যখন রাত নামে
তোমাকেই খুঁজে পাই
আঁধারের শিরোনামে
বিরহ নীলে নীলে বাঁধে বাসা
অজানা ব্যথায়
অধরা তারাগুলো কাঁদে বেদনায়
খেয়ালী তুমি কোথায়
নিথর চোখের কোনে
অথৈ শুন্যতা
ভাবনার বন্দরে
চাঁদ জাগে অপূর্ণতায়
বিরহ নীলে নীলে বাঁধে বাসা
অজানা ব্যথায়
অধরা তারাগুলো কাদে বেদনায়
খেয়ালী তুমি কোথায়
একাকী মন আজ নীরবে
বিবাগী তোমার অনুভবে
ফেরারী প্রেম খোঁজে ঠিকানা
আকাশে মেঘ মানে বোঝো কিনা
বিরহ নীলে নীলে বাঁধে বাসা
অজানা ব্যথায়
অধরা তারাগুলো কাঁদে বেদনায়
খেয়ালী তুমি কোথায়
 ekaki mon aj nirobe

গানটি শুনতে ক্লিক করুন

ও শ্যাম রে তোমার সনে


শিল্পীঃ সেলিম চৌধুরী

গীতিকারঃ দীনহীন


ও শ্যাম রে তোমার সনে
একেলা পাইয়াছি রে শ্যাম
এই নিঠুর বনে
আজ পাশা খেলবো রে শ্যাম

একেলা পাইয়াছি হেতা পলাইয়া যাবে কোথায় ।।
চৌদিকে ঘিরিয়ারে রাখবো ।।
সব সখি সনে
আজ পাশা খেলবো রে শ্যাম

আতর গোলাপ চন্দন মারো বন্ধের গায় ।।
ছিটাইয়া দাও ছোঁয়া চন্দন ।।
ঐ রাঙ্গা চরণে
আজ পাশা খেলবো রে শ্যাম

দীনহীন আর যাবে কোথায়
বন্ধের চরণ বিহনে ।।
রাঙ্গা চরণ মাথায় নিয়া দীন হীন কান্দে ।।
আজ পাশা খেলবো রে শ্যাম

ও শ্যাম রে তোমার সনে
একেলা পাইয়াছি রে শ্যাম
এই নিঠুর বনে
আজ পাশা খেলবো রে শ্যাম
aj pasha khelbo re sham

Click to Hear

দীনহীন
বাউল কবি ও শিল্পী।

মহাকবি সৈয়দ সুলতান, কোরেশী মাগন, প্রমুখের অধঃস্তন বংশধর সৈয়দ আব্দুন নুর হোসেনী চিশতী যিনি দীনহীন নামে পরিচিত। ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার স্নানঘাটে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকে তিনি বাউল গান এবং বাউল ভাবাদর্শে উদ্বুদ্ধ হন। তিনি চৈতন্যদের, লালন, শীতালং শাহ, কিংবা হাসন রাজার ভাব-দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, বহু গান রচনা করেন। তাঁর জীবদ্দশাতেই সিলেট অঞ্চলে জনপ্রিয় বাউল কবি এবং শিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। এ পর্যন্ত তাঁর রচিত পাঁচশত গানের সন্ধান মিলেছে। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে 'দীনহীন সঙ্গীত' নামে তাঁর ১টি গানের সংকলন প্রকাশিত হয়।
১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।


১৯৯৪ সালে হুমায়ূন আহমেদের টেলিভিশন নাটক 'ওয়াইজা বোর্ড' -এ সেলিম চৌধুরী গেয়েছিলেন 'আজ পাশা খেলব রে শ্যাম'। কিছু কিছু গান জনপ্রিয় করবার পিছনের কারিগর ছিলেন হুমায়ূন আহমেদে।

বিনম্র শ্রদ্ধা রইল। (ইন্টারনেট)

বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৭

আমার মনের ঘরে একটু একটু করে

F.A Sumon & Suhana Dewan
Lyric: Sathi Akhter
Tune & Music: F.A Sumon 

আমার মনের ঘরে 
একটু একটু করে 
ভালবাসার ঘর বুনেছি 
রঙিনস্বপ্ন দিয়ে 
যেমন করে পাখি বাধে 
নিজের সুখের ঘর 
সুতো ছাড়া গুনোই বুনা 
ভার ভালবাসার ঘর ।

আমার মনের ঘরে 
একটু একটু করে ।
যেমন করে চাদের বুকে
লুকিয়ে থাকে তারা
দেখতে যেন কেউনা পারে
ঐ না চাদ ছাড়া 

ও ও ও আমার মনের ঘরে 
একটু একটু করে 

যেমন করে ঝিনুক মাঝে
লুকিয়ে থাকে  মুক্তো
তেমনি করে আমার হৃদয়
তোমার সাথে যুক্ত

আমার মনের ঘরে 
একটু একটু করে 
ভালবাসার ঘর বুনেছি 
রঙিনস্বপ্ন দিয়ে 

amar moner ghore

Click to Hear

 


বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৭

আপনিও আসুন আমাদের গাছ উৎসবে

আপনারাও আসুন  Tree for Mankind এর সাথে আপনাদের বয়সের সমান সংখ্যক গাছ নিয়ে আমাদের গাছ উৎসবে।আপনি আপনার নিজের জায়গায় গাছ লাগান কিংবা আমাদেরকে আপনার গাছ উপহার দিতে পারেন, কিংবা আপনার এলাকায় গাছ উৎসবের আয়োজন করে আমাদের জানাতে পারেন আমরা গাছ নিয়ে উপস্থিত হবো নির্দিষ্ট সময়ে।  


গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে, পরিবেশ দূষণ ও আবহাওয়ার ভারসাম্য রক্ষা করে, আমাদের বাঁচার জন্য গাছ ভাল আবহাওয়া বজায় রাখে, বৃষ্টিপাত ঘটায়, বাতাসকে সজীব রাখে, তাপ শোষণ করে মরু হাওয়া থেকে দেশকে রক্ষা করে।তাছাড়া গাছ পরোক্ষভাবে মাটির উর্বরতা শক্তি বাড়ায়, মাটির গঠন উন্নত করে, ফলে ভূমি ক্ষয়রোধ হয় এবং ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এক কথায় মানব কল্যাণে গাছের অবদানের শেষ নেই।
facebook.com/treeformankind

treeformankind.org





গাছপালা দ্বারা একটি দেশের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রিত হয়। বৃষ্টিপাতের সহায়তা করতেও গাছ অপরিহার্য। স্পঞ্জ যেভাবে পানি ধরে রাখে গাছও সেভাবে মাটির ভিতরের পানিকে ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বৃক্ষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। একটি পূর্ণ বয়স্ক আম বা কাঁঠাল গাছ গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে ১০০ গ্যালনের মতো পানি প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাতাসে ছেড়ে দেয়। এর ফলে চারপাশের তাপমাত্রা কমে আসে যা এয়ারকুলারে ৪-৫টি ঘরের শীতলকরণের সমান। ঝড়-তুফান, বন্যা-খরা ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডব হতে দেশের লোকজন, পশুপাখি ও ঘর-বাড়ি রক্ষা করতে বৃক্ষরাজির অবদান সর্বজন স্বীকৃত। একটি পূর্ণ বয়স্ক আম, জাম বা কাঁঠাল গাছ তার চারপাশে ৭৫ ভাগ বাতাসের বেগ কমাতে সাহায্য করে। আর সে গাছের উচ্চতার ২০ গুণ দূরে ২০ ভাগ গতি কমাতে পারে।
কাজেই আসুন, আর দেরী না করে নিজের প্রয়োজন, জাতীয় স্বার্থে ও দেশের কল্যাণে এবং আমাদের অস্তিত্ব রক্ষায় বসতবাড়ির আশেপাশে পতিত জায়গায়, পুকুর পাড়ে, রাস্তার পাশে, খাল, নদীর ধারে, রেললাইন ও বাঁধের পাশে, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, আদালত, কল-কারখানা, মসজিদ-মন্দির এবং হাসপাতাল প্রাঙ্গণে যেখানেই খালি জায়গা রয়েছে সেখানেই বনজ, ফলদ এবং ঔষধি গাছের চারা বেশি করে লাগাই, তাদের যত্ন করি। এতে একদিকে যেমন দেশ বৃক্ষ সম্পদ বৃদ্ধি পাবে, তেমনি পরিবেশ সুষ্ঠু ও নির্মল হবে।